অবশেষে কে জিতলো, সিংহ ? নাকি, মহিষ ?

মহিষ আর সিংহ। সেতো চিরদিনেরই শত্রু। সিংহ তো বনের রাজা। আর রাজা তো রাজাই। যুদ্ধে জয় তার হবে না তো কার? তবে আজকের গল্পটা একটু ভিন্ন। সিংহ দেখেই মহিষ পালাবে সেদিন আর নেই। এখন সিংহের আক্রমণে পাল্টা আক্রমণও করতে পারে মহিষেরা। সেটা যেই সেই আক্রমণ নয়। জীবন যুদ্ধই বলা চলে। তাহলে কে জিতলো এই জীবন যুদ্ধে? সিংহ নাকি মহিষ?

1

চিত্রটা চিরচেনা। জলাশয়ের পাশেই ওঁত পেতে ছিল ক্ষুধার্ত সিংহটি। মহিষটিকে দেখে আচানকই আক্রমণ করে বসে সে। নখ আর ধারালো দাঁতের আঁচড় কেটেও জব্দ করা গেল না মহিষকে।

2

রক্তাক্ত আহত অবস্থাতেই প্রাণপণে যুদ্ধ করে গেল মহিষটি। তবে বেঁচে পালিয়ে যাওয়ার জন্য নয়, এটা ছিল পাল্টা আঘাত। নিজের ভারি ও শক্ত শিং দিয়ে সিংহকেও রক্তাক্ত করলো।

3

যুদ্ধ করতে করতে যখন তারা দু’জনেই ক্লান্ত তখন আরও একটি মহিষের অনুপ্রবেশ। ঘটনাটি ঘটেছে জাম্বিয়ার লিউয়ঙা ন্যাশনাল পার্কে।

দুর্ধর্ষ এই ছবিগুলো তুলেছেন ম্যাট আর্মস্ট্রং-ফোর্ড। ইংল্যান্ডের ইস্টর্বোনবাসী ২৫ বছর বয়সী এই ফটোগ্রাফার শেনটন সাফারি পার্কের নির্দেশক ও ক্যাম্প ব্যবস্থাপক। যখন সিংহটি মাদি মহিষটির মুখে থাবা বসায় তখন তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

4

দশ মিনিটের মধ্যেই মাদি মহিষটি তীব্র ঝাঁকি দিয়ে ছয় বছর বয়সী সিংহটিকে ফেলে দেয় বলে জানান আরমস্ট্রং। তিনি আরও বলেন, যতবারই সিংহটি মহিষটিকে আক্রমণ করতে গেল ততবারই মহিষটি তাকে একইভাবে ঘূর্ণির মতো করে পাকিয়ে ছুড়ে ফেলে।

5

আর্মস্ট্রং বলেন, আমি এমন দৃশ্য কখনও দেখিনি। আমি জানতাম সিংহ মহিষ শিকার করে। সাধারণত সিংহ একাই লড়াই করে। আর গৌরবের সঙ্গে শিকারকে পরাজিত করে।

6

তবে যুদ্ধটি মোটেও স্বাভাবিক ছিলো না। ক্ষত-বিক্ষত সিংহটি ঘটনার দু’দিন পরই মারা যায়। আর মহিষ? দু‘সপ্তাহ ইনফেকশনে ভুগে মৃত্যু হয় তারও।

7

Leave a Reply

Your email address will not be published.