আফ্রিদি ঝড়ের পরও ২১০ রানে পাকিস্তান শেষ !!

টস হেরেছে পাকিস্তান। নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছেন পাকিস্তানকে। আর কোনো রান করার আগেই পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ নেই। নিউজিল্যান্ডের পেসারদের দাপটে একের পর এক পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান ফিরেছেন ড্রেসিং রুমে। ৩২ রানে হারিয়েছে ৩ উইকেট। টপ ও মিডল অর্ডার সেভাবে কাজে আসেনি। ১১৩ রানে নেই ৫ উইকেট। তারপর কি আশা করা যায়? তারপরও দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৪৫.৩ ওভারে ২১০ রান করতে পেরেছে পাকিস্তান।
ওয়েলিংটনে পাকিস্তানের তখন অল্প রানেই গুটিয়ে যাবার শঙ্কা। ১২৭ রানেই পাকিস্তান হারিয়ে ফেলেছে ৬ উইকেট। উইকেটে আছেন অধিনায়ক মিসবাহ-উল হক। তার সাথে এসে যোগ দিলেন শহীদ আফ্রিদি। এবং আফ্রিদিসুলভ ব্যাটিং শুরু হলো। নিউজিল্যান্ডের কোনো বোলারই নিস্তার পাচ্ছিলেন না। পাকিস্তানের রানের চাকা চলতে থাকে দ্রুত। এক প্রান্তে ধৈর্য নিয়ে ব্যাট করছেন মিসবাহ। আর উল্টো প্রান্তে উঠছে ঝড়। মাত্র ৩৯ মিনিট ক্রিজে ছিলেন আফ্রিদি। আর এই সময়ে ২৯ বল খেললেন। ৯টি বাউন্ডারি আর ৩টি ছক্কায় তিনি তুলে ফেললেন ৬৭ রান। ২১ বলে ফিফটি করেছেন আফ্রিদি।
afridi 1
তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, বিশ্বকাপে দ্রুততম সেঞ্চুরির নিজের রেকর্ডটা ফিরে পেতে চান। আর তারই ওয়ার্ম আপ যেন হলো নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে। শুধু আফ্রিদির কথা বলে চললে আলোর উল্টো পাশে চলে যান মিসবাহ। তারও অবদান বিশাল পাকিস্তানের ইনিংসে। দল যখন একের পর এক উইকেট হারাচ্ছে তখন সীমাহীন ধৈর্য নিয়ে তিনি ক্রিজ আকড়ে ছিলেন। তার সাথে আফ্রিদির সপ্তম উইকেটের ৭১ রানে মিসবাহের ভূমিকাটা চমৎকার। ওই ৭১ রানে মাত্র ৬ রান মিসবাহর। তার মানে আফ্রিদিকে দিয়ে খেলিয়ে নেবার কৃতিত্বটাও বেশ ছিল অধিনায়কের। মিসবাহ আউট হয়েছেন পাকিস্তানের সপ্ম ব্যাটসম্যান হিসেবে। ৮৭ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় নিজের ৫৮ রানের ইনিংস সাজিয়েছেন মিসবাহ। আর তার বিদায়ের সাথে যে ছন্দপতন হয়, তাতেই দ্রুত শেষের পথে চলে যায় পাকিস্তানের ইনিংস।

Leave a Reply

Your email address will not be published.