ইসরাইলের এক লাইব্রেরিতে পাওয়া গেল কুরআন শরিফের প্রাচীন পাণ্ডুলিপি

ইহুদিবাদী ইসরাইলের জাতীয় গ্রন্থাগারে ১২০টি ইসলামী গ্রন্থ রয়েছে যার মধ্যে ১০০টিই হচ্ছে পবিত্র কুরআনের ১০০ বিরল পাণ্ডুলিপি।

ইসরাইলের একটি পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, টেলিভিশনে এই পাণ্ডুলিপির প্রদর্শনের পর, গোটা মুসলিম বিশ্বে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।

পত্রিকাটি আরও জানিয়েছে, তবে এ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়নি যে এই লাইব্রেরিতে ইসলামী সমৃদ্ধ এবং উন্নত কোন বিভাগ আছে কি না।

গ্রন্থাগারটি জেরুজালেমে অবস্থিত এবং সারা বিশ্বে থেকে মুসলমানরা এগুলো দেখতেও যায় কিন্তু তা গোপনে সংঘটিত হয়।

বিরল এই পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে নবম শতাব্দী, ১৩ শতাব্দী এবং ১৬১৪ সালের ইমাদুদ দীন ইব্রাহিমির পাণ্ডুলিপিও রয়েছে।

এই গ্রন্থাগারের প্রাচীন গ্রন্থের মধ্যে অন্যতম আরেকটি গ্রন্থ হচ্ছে ১ হাজার বছর পূর্বের তাওরাত এবং মুসা বিন মাইমুনের লেখা দর্শনের গ্রন্থ, যা রেম্বম নামে পরিচিত।

উসমানী পাণ্ডুলিপি নামে প্রসিদ্ধ ১৮৭০ সালের মুহাম্মাদ আল-হেলমির ছাত্র হাজি মুহাম্মাদ শরিফের হাতে লেখা কুরআন শরিফ

উসমানী পাণ্ডুলিপি নামে প্রসিদ্ধ ১৮৭০ সালের মুহাম্মাদ আল-হেলমির ছাত্র হাজি মুহাম্মাদ শরিফের হাতে লেখা কুরআন শরিফ
তৃতীয় হিজরির প্রথম দিকে কুফি বর্ণমালায় লেখা কুরআন শরিফ/ নবম খ্রিষ্টাব্দের অন্তর্গত কুরআন শরিফের কিছু অংশ বর্তমানে ইসরাইলের জাতীয় লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত রয়েছে

তৃতীয় হিজরির প্রথম দিকে কুফি বর্ণমালায় লেখা কুরআন শরিফ/ নবম খ্রিষ্টাব্দের অন্তর্গত কুরআন শরিফের কিছু অংশ বর্তমানে ইসরাইলের জাতীয় লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত রয়েছে
শিরাজী পাণ্ডুলিপি নামে প্রসিদ্ধ ১০২৩ হিজরিতে ইমাদ উদ্দীন ইবনে ইব্রাহীম শিরাজীর লেখা কুরআন শরিফ/ ১৬১৪ খ্রিষ্টাব্দের লেখা হয়েছে।

শিরাজী পাণ্ডুলিপি নামে প্রসিদ্ধ ১০২৩ হিজরিতে ইমাদ উদ্দীন ইবনে ইব্রাহীম শিরাজীর লেখা কুরআন শরিফ/ ১৬১৪ খ্রিষ্টাব্দের লেখা হয়েছে।
উৎস ঃ ইকনা