তুরস্কের ২৪টি চ্যানেল ও রেডিওর লাইসেন্স বাতিল

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর থেকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন।

দেশটির সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে নির্বাসিত ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লা গুলেনের অনুসারীদের ছাঁটাইয়ের পাশাপাশি চলছে গণগ্রেফতার। মিডিয়ার ওপরও খড়গহস্ত হয়েছে দেশটির সরকার।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম আনাদোলু নিউজ জানায়, তুরস্কের মিডিয়া রেগুলেশন বডির এক বিশেষ বৈঠকের পর মঙ্গলবার ২৪টি রেডিও ও টিভি চ্যানেলের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

দেশটির সম্প্রচার কার্যক্রমের ওপর নজরদারি সংস্থার মতে, ফেতুল্লা গুলেনের সঙ্গে সংযোগ রক্ষার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরো জানায়, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস ও তথ্য অফিস ৩৪ সাংবাদিকের প্রেসকার্ডও বাতিল করেছে।

এর আগে গত মার্চে দেশটির সরকার সর্বাধিক প্রচলিত দৈনিক ‘জামান’ বন্ধ করে দেয়।

এ অবস্থায় তুর্কি সরকারের প্রতি আইনের শাসন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন না করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

এর আগে শুক্রবার রাতে তুরস্কের সেনাবাহিনীর একটি অংশ অভ্যুত্থানের চেষ্টা করে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাজপথে নেমে আসে গণতন্ত্রকামী জনগণ। তাদের সঙ্গে যোগ দেন গণতন্ত্রপন্থী সেনা ও পুলিশ সদস্যরা। ফলে ব্যর্থ হয় অভ্যুত্থানের চেষ্টা। এ ঘটনায় অন্তত ২৬৫ জন নিহত হয়েছেন যাদের মধ্যে ১৬১ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক নাগরিক। নিহত বাকিরা অভ্যুত্থানকারী। আহত হয়েছেন আরো ১ হাজার ৪৪০ জন।