তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাধলে বিশ্বের যেসব জায়গায় আপনি নিরাপদ ?

দুঃস্বপ্নের চেয়েও বেশি কিছু হবে যদি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বেধে যায়। আর এতে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে গোটা বিশ্ববাসী আজ আতঙ্কিত। কখনো যদি বেধেই যায় তাহলে পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো নিশ্চয় একে অন্যকে ছেড়ে কথা বলবে না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মানুষ দেখেছে পারমাণবিক অস্ত্রের দানবীয় রূপ। মানুষ ও মানবতাকে মুহূর্তে শেষ করে দিতে আবারও এই দুর্যোগ দেখতে চাইবে না কোনো মানুষ।

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরমানু অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে এমন দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইসরাইল, পাকিস্তান, আমেরিকা, ইরান ও রাশিয়া। ভবিষ্যতে ইরানে আক্রমনের পরিকল্পনা রয়েছে ইসরাইলের। ইসরাইল যদি এটা করে তবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংগঠিত হবে এবং পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। পৃথিবী ধ্বংস হলে ধ্বংস হয়ে যাবে মানবসভ্যতা।

অন্যদিকে বিশ্বের একটা বড় অংশে উঠেছে যুদ্ধ যুদ্ধ রব। জাতীয়তাবাদের ধুয়ো দিয়ে গদি বাঁচাতে কিছু রাষ্ট্রনেতা যুদ্ধ লাগাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। অস্ত্র বিক্রিও বড় দায়। এহেন পরিস্থিতিতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ লেগে যাওয়াটাও অসম্ভব নয়। আর রাজায় রাজায় যুদ্ধ হলে উলুখাগড়াদের প্রাণহানিই ভবিতব্য। অতএব এখনই বাঁচার রাস্তা খোঁজাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। কোথায় পালাবেন তখন?

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ লাগলে বিশ্বের কোথায় গেলে নিরাপদে, নির্ঝঞ্ঝাটে থাকা যাবে? আসুন সেই জায়গাগুলির সঙ্গে আগেভাগে পরিচয় সেরে ফেলা যাক।

১. আইসল্যান্ড
ছবির মতো সুন্দর এই দেশটির অবস্থান পৃথিবীর প্রত্যন্ত অংশেই বলা যায়। দেশটির অর্থনীতির অবস্থাও খারাপ নয়। প্রচুর মাছ। অতএব খাদ্যাভাব হওয়ার চিন্তা নেই। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কোনও প্রভাব পড়ার চান্স নেই।

২. আইল অফ লিউইস
স্কটল্যান্ডের এই দ্বীপ মেনল্যান্ড থেকে অনেকটাই দূরে। অর্থনৈতিক অবস্থাও ভালো। নির্ঝঞ্ঝাটে গিয়ে থাকতে পারেন। অন্তত যুদ্ধের দামামা আপনাকে স্পর্শ করবে না।

৩. আন্টার্কটিকা
শুনতে একটু বিচিত্র লাগলেও, অত্যন্ত খারাপ পরিস্থিতিতেও মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে মন্দ নয় এই জায়গাটা। শীতের কামড় থাকলেও, একটু সইয়ে নিতে পারলে অন্তত যুদ্ধের কবল এড়ানো যাবে।

৪. কানসাস সিটি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যু্দ্ধবাজ হলেও তাদের এই শহরটা অতি শান্তিপূর্ণ। চাষের জমিতে ঘেরা। খাদ্যাভাব নেই। যুদ্ধের প্রকোপও পড়ার ভয় নেই।

৫. ইউকন
কানাডার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছবির মতো সুন্দর প্রদেশ ইউকন। গ্রাম্য জীবন, খাবারের অভাব নেই, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ। যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে এই জায়গায় চলে যেতে পারেন।

৬. কেপটাউন
দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে ধনী শহর। পশ্চিমী অশান্তি থেকে এই শহরকে যতটা সম্ভব দূরেই রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকারই সম্ভাবনা প্রবল।