ধর্মের অবমাননা ও অসম্মান সহ্য করা হবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। অথচ এ ধর্মের নামে সন্ত্রাসী কার্যক্রম করা হচ্ছে। ধর্মকে অবমাননা ও অসম্মান করা সহ্য করা হবে না। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সমাজে সচেতনতা বাড়াতে হবে। শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের মধ্যে কীভাবে ধর্মান্ধতা ঢুকছে, সেই শিকড় খুঁজে বের করতে হবে। এর পেছনে কারা কারা অর্থ দিচ্ছে, কারা ছেলেমেয়েদের মানসিক বিপর্যয় ঘটাচ্ছে, প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, সেটা বের করতে হবে।

মঙ্গলবার সকালে গণভবনে ভিভিআইপি নিরাপত্তায় নিয়োজিত বাহিনী  স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসীরা এখন ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তাই প্রতিরোধেও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে। এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পারদর্শী হতে হবে।

তিনি বলেন, মানুষের উন্নয়নে যে কোনও ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত আছি। দেশের মানুষের কল্যাণ করাই আমার লক্ষ্য। নিজের নিরাপত্তা নিয়ে আমি বেশি চিন্তিত নই। আমার ওপর বিভিন্ন সময়ে হামলা হয়েছে। মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিনের ইচ্ছায় রক্ষা পেয়েছি। একটা বিষয় নিয়ে বেশি চিন্তায় থাকি, যারা আমার নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে, আমার কারণে তাদের যেনো কোনও ক্ষতি হয়ে না যায়।

ছেলেমেয়ের সঙ্গে বেশি সময় কাটানোর জন্য মা-বাবাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ছেলেমেয়েদের কাছে টেনে নিন। তাদের সঙ্গে মন খুলে গল্প করুন। ছেলেমেয়েরাও যেন মা-বাবার সঙ্গে মন খুলে গল্প করতে পারে, পরিবারে সেই পরিবেশ তৈরি করুন। ছেলেমেয়েদের সময় দেওয়া মা-বাবার কর্তব্য বলে মনে করি। সন্তানকে সময় দিতে হবে। তাদের খোঁজখবর নিতে হবে। তারা কার সঙ্গে মেশে, কোথায় যায়, সেটা জানতে হবে। সন্তানেরা যেন ধর্মীয় শিক্ষা সঠিকভাবে পায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেননা, সব ধর্মই শান্তির কথা বলে।