প্রাণভিক্ষা দেয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামান বলেছেন, রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না। কারণ প্রাণ দেয়ার মালিক আল্লাহ, নেয়ার মালিকও তিনি। রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষা দেয়ার কে? আল্লাহর কাছেই প্রাণভিক্ষা চাইব।
kamaruzzamanআজ শনিবার বিকেলে পরিবারের সদস্যরা কারাগারে কামারুজ্জামানের সাথে সাক্ষাত করতে গেলে তিনি তাদের কাছে একথা বলেছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার বড় ছেলে হাসান ইকবাল ওয়ামী। সাক্ষাত শেষে বিকেল পাঁচটা ১০ মিনেটে কারাগার থেকে বের হন তারা। এর আগে বিকেল চারটা পাঁচ মিনিটে কামারুজ্জামানের সাথে দেখা করতে কারাগারে প্রবেশ করেন পরিবারের ২১ সদস্য।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার গেট থেকে সামান্য দূরে এসে কামারুজ্জামানের বড় ছেলে হাসান ইকবাল ওয়ামী সাংবাদিকদের আরো বলেন, তার পিতা সুস্থ আছেন এবং মানসিকভাবে দৃঢ় আছেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের হাসিমুখে বিদায় দিয়েছেন এবং পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকেও হাসিমুখে বিদায় নিয়েছেন। তার মনোবল দৃঢ় আছে। তিনি সুস্থ আছেন। ফাঁসির ব্যাপারে তিনি মোটেও বিচলিত নন।
ওয়ামী বলেন, কামারুজ্জামান বলেছেন, ‘দুইজন ম্যাজিস্ট্রেট গতকাল শুক্রবার আমাকে কিছুই জিজ্ঞাসা করেননি। এমনকি তারা কথাও বলেননি। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মিথ্যাচার করেছেন।’ এ ছাড়া ১৮ বছরের ছেলেকে যুদ্ধাপরাধী সাজিয়ে সরকার স্বার্থ হাসিল করছে বলেও পরিবারকে জানিয়েছেন কামারুজ্জামান।
ওয়ামী অভিযোগ করেন, সরকার প্রাণভিক্ষার নামে গত কয়েকদিন ধরে তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য সময়ক্ষেপণ করেছে। কামারুজ্জামান সুস্থ এবং সবল আছেন। তিনি এদেশে ইসলামী আন্দোলনের বিজয় কামনা করেছেন।
কামারুজ্জামানের ছেলে আরো বলেন, আমার বাবা বলেছেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিচারপতিরা মিথ্যা সাক্ষীর ওপর ভিত্তি করে নিজেদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার জন্যই আমাকে ফাঁসি দিচ্ছে। এটি একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। আল্লাহ তাদের কেয়ামতের ময়দানে বিচার করবেন।’