ব্যথা কমানোর ৩ উপায়

ব্যথা হলেই ব্যথানাশক ওষুধ লাগবে, এ কথা ঠিক নয়। ব্যথার ওষুধ সাময়িক আরাম দেবে বটে কিন্তু এটা মূল চিকিৎসা নয়। ব্যথানাশক ওষুধের নানা রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। সাধারণত মাংসপেশি এবং অস্থিসন্ধির সমস্যায় দীর্ঘদিন পর্যন্ত ব্যথা থাকতে পারে। এসব ক্ষেত্রে ওষুধের চেয়ে ব্যথা উপশমের অন্যান্য পদ্ধতি বেশি কার্যকর হতে পারে।
শরীরচর্চা বা ব্যায়াম: কাঁধ, কোমর, হাঁটু বা গোড়ালির ব্যথা উপশমের জন্য রয়েছে আলাদা ব্যায়াম। চিকিৎসকের পরামর্শমতো এসব ব্যায়াম শিখে নিয়ে বাড়িতেই নিয়মিত চর্চা করতে পারেন। নিয়মিত হাঁটাচলা ও খানিকটা দৌড়ঝাঁপ শরীরের হালকা ব্যথা সারাতে সাহায্য করবে। ওজন কমালেও অনেক সময় হাঁটু ও কোমরের ব্যথা কমে।
গরম সেঁক: গরম সেঁক দিলেও ব্যথা কমে। আক্রান্ত স্থানে দিনে দুবার গরম সেঁক দেওয়া যাবে। প্রতিবার ১৫-২০ মিনিট ধরে সেঁক দেওয়া যাবে। শীতের সময় সারা দিনে তিনবারও গরম সেঁক দিতে পারেন।
ঠান্ডা সেঁক: দুর্ঘটনায় আঘাত পেলে বরফ বা ঠান্ডা পানি ব্যবহারেও উপকার পেতে পারেন। তবে সব ক্ষেত্রে রোগী আঘাত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আঘাতের ব্যাপকতা না-ও বুঝতে পারেন। তাই বরফ বা ঠান্ডা পানি ব্যবহারের পর ব্যথা উপশম হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
নানা ধরনের বাত ও রোগের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা রয়েছে। রোগ নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা নেওয়াটা উত্তম। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রায় নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ব্যথানাশক খাওয়া যাবে বটে, তবে নিজে না বুঝে খাওয়াটা ঠিক নয়।
চেয়ারম্যান, ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়