যে কারনে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী প্রেসিডেন্ট ট্র্যাম্প !

বিশ্বের বিভিন্ন নামী সংবাদপত্র এখন নব-নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থবিত্ত ও বিলাসবহুল বাড়ির বর্ণনা প্রকাশ করতে শুরু করেছে।

বাড়ি ও জমির ব্যবসা সূত্রে ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শীর্ষ ধনী।
আজ ও গতকাল বেশ কয়েকটি ব্রিটিশ দৈনিক ও সংবাদ সংস্থা এসব নিয়ে একাধিক রিপোর্ট প্রকাশ করে।
টাইমসে এক প্রতিবেদনে রিপোর্টার বলেছেন, সিংহাসনের মত রাজকীয় চেয়ারে ট্রাম্পের বসে থাকার ছবিকে অনেকে রাশিয়ার জার বা সাদ্দাম হোসেনের সাথে তুলনা করেছেন।
নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ার নামে যে বহুতল ভবনে ট্রাম্প থাকেন, তার ভেতরের রাজকীয় সজ্জার ছবি প্রকাশ করেছে বেশ কিছু দৈনিক।
ট্রাম্প টাওয়ার ভবনের তিনটি ফ্লোর নিয়ে তার অ্যাপার্টমেন্ট। এর ৬৬, ৬৭, এবং ৬৮ তলা জুড়ে এই ট্রিপলেক্স ফ্ল্যাটে থাকেন ট্রাম্প তার স্ত্রী মেলানিয়া ও তাদের ছেলে ব্যারন।
ট্রাম্পের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন বারবারা রেস। তাকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ দৈনিক টাইমস বলছে, রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবুর্গে জারের উইন্টার প্যালেস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ট্রাম্প তার নিউইর্কের আ্যাপার্টমেন্টটি নতুন করে সাজান।
এই ভবনটি নিউইয়র্কের কেন্দ্রস্থলে সেন্ট্রাল পার্ক নামে যে বিশাল পার্ক আছে তার পাশেই। ট্রাম্পের ফ্ল্যাট থেকে পার্কের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।
নিউ ইয়র্কের এই ফ্ল্যাট ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের রয়েছে আরো অনেকগুলো বাড়ি।
এর একটি হচ্ছে নিউইয়র্ক স্টেটের সেভেন স্প্রিংস-এ। ট্রাম্প ১৯৯৫ সালে এই রাজকীয় বাড়িটি কেনেন। ২৩০ একর জায়গার ওপর ৩৯ হাজার বর্গফুট আয়তনের এ সুবিশাল বাড়িটি শহরের বাইরে তার পারিবারিক নিবাস। এতে রয়েছে ৬০টি কক্ষ, ১৫টি শয়নকক্ষ, তিনটি সুইমিংপুল এবং গৃহপরিচারকদের থাকার জন্য দুটি অংশ।
ভার্জিনিয়ায় অ্যালবেমারি এস্টেটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রয়েছে আরো একটি বাড়ি।
২০১১ সালে সাড়ে ৬ মিলিয়ন ডলারে কেনা এ বাড়িটি ২৩ হাজার বর্গফুট জায়গার ওপর একটি সুরম্য প্রাসাদ। এতে আছে ৪৫টি কক্ষ, একটি সিনেমা হল ও ঘোড়ার আস্তাবল। এর পাশেই ৬২ লাখ ডলার দিয়ে কেনা বিরাট আঙুর-বাগান।
ক্যালিফোর্নিয়ায় বেভারলি হিল এলাকাতেও ট্রাম্পের একটি বাড়ি আছে।
ঔপনিবেশিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই প্রাসাদে রয়েছে ৬টি বেডরুম ও ৫টি বাথরুম। এর সঙ্গে আছে ফ্লাডলাইট-যুক্ত টেনিস কোর্ট, সুইমিংপুল, স্পা, ও লাইব্রেরি।
সূত্র : বাসস