যে কারনে ১৩ জনকে কিশোরিকে মসজিদে বসিয়েই বেত্রাঘাত করা হল

 

জানা গেছে, ঝোঁপের মধ্যে বসে গল্পগুজব করার সময় ১৪ জন তরুণ-তরুণীকে আটক করা হয়। পরে তাদের বান্দা আচের মসজিদে নিয়ে বিচারসভা বসানো হয়। সেখানে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী তাদের অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী নয় থেকে ২৫টি বেত্রাঘাতের সিদ্ধান্ত হয়।

বিয়েবহির্ভূত প্রেম করার অভিযোগে ১৩জন তরুণ–তরুণীকে মসজিদে বসিয়ে বেত্রাঘাত করা হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের বান্দা আচের মসজিদে এই ঘটনা ঘটেছে।

muslim_woman_lashed

তবে অভিযুক্তদের মধ্যে ১৩ জনকে মসজিদেই বেত দিয়ে পেটানো হয়। ২২ বছর একজন তরুণী সন্তানসম্ভবা হওয়ায় তার শাস্তি স্থগিত করা হয়েছে। সন্তান জন্মের পর তাকে বেত্রাঘাত করা হবে।

আচের ডেপুটি মেয়র জাইনাল আরিফিন জানিয়েছেন, ‘অপরাধ করলে শাস্তি পেতেই হবে। ভবিষ্যতে কেউ যেন এ রকম কাজ না করে তাই কাউকে ছাড় দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দীর্ঘ বিদ্রোহের পর ২০০১ সালে আচে প্রদেশকে স্বায়ত্তশাসন দেয় ইন্দোনেশিয়া। তখন থেকেই সেখানে শরিয়া আইন চালু হয়। এর ফলে সমকামিতা, মদ্যপান, জুয়াখেলা নিষিদ্ধ করা হয়। এসব অপরাধ করলে বেত্রাঘাতের শাস্তি প্রবর্তন করা হয়।

তবে ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশ  ইন্দোনেশিয়ায় বাকি অংশে শরিয়া আইন প্রয়োগের কড়াকড়ি নেই।