শেষ পর্যন্ত উদঘাটিত হল ‘বার্মুডা ট্যাঙ্গল’ রহস্য!

বার্মুডা ট্যাঙ্গলের রহস্যের কথা সবাই জানে। কেমন ভাবে উধাও হয়ে যায় আস্ত বিমান-জাহাজ। কিন্তু এ রহস্যের কোনও সমাধান পাওয়া যায় না। তবে তত্ত্বে রয়েছে অনেক। অবশেষে সেই বারমুডা ট্র্যাঙ্গেলের রহস্যের সমাধান হল বলে জানা গিয়েছে। বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল নিয়ে তৈরি নানা মিথের সদুত্তর কি এবার পাওয়া যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

b1

এই সব প্রশ্নের নয়া সমাধান দিচ্ছেন এক দল বিজ্ঞানী। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিম অংশের ত্রিকোণাকৃতি জায়গায় বিভিন্ন সময় উধাও হয়ে গিয়েছে জাহাজ থেকে বিমান। ‘ডেভিলস ট্র্যাঙ্গল’ নিয়ে নিরন্তর গবেষণা করেও কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। যদিও এই রহস্য নিয়ে চলেছে বিস্তর আলোচনা। নানা ব্যাখ্যা। পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি। সেই রকমই আরও একটি নতুন ব্যাখ্যা সংযোজন করলেন বিখ্যাত আবহবিদ র‌্যান্ডি কারভ্যানি-সহ বেশ কিছু বিজ্ঞানী। তাঁদের দাবি, বারমুডা ট্র্যাঙ্গলের রহস্যের পিছনে রয়েছে এক রকম মেঘ যার নাম হেক্সাগোনাল ক্লাউড।  উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বারমুডা দ্বীপে ২০ থেকে ৫৫ মাইল জুড়ে ওই মেঘ তৈরি করে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বায়ু। যার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭০ মাইল।

b2

এই উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বায়ুকে বলা হয় ‘এয়ার বম্ব’। এই বায়ু প্রায় ৪৫ ফুট উচ্চতার ঝড় তৈরি করতে পারে। যার ফলে বারমুডা  ট্র্যাঙ্গল দিয়ে যাওয়া জাহাজ বা প্লেন উধাও হয়ে যায়।

b3

কিন্তু উধাও হয়ে কোথায় তার শেষ ঠিকানা হয় সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা স্পষ্ট নন। এখন আর কোনও জাহাজ বা বিমান এই এলাকা দিয়ে যায় না। এখনও জারি রয়েছে গবেষণা। এসব জাহাজ-বিমান কোথায় গেল, তা খুঁজে বের করতে তৎপর বিজ্ঞানীরা।