হাঁটুর বয়সী ইহুদি ছেলেকে বিয়ে করলেন তসলিমা নাসরিন !

বাংলাদেশের একজন সাহিত্যিক ও চিকিৎসক। বিংশ শতাব্দীর আশির দশকে একজন উদীয়মান কবি হিসেবে সাহিত্যজগতে প্রবেশ করে তসলিমা এই শতকের শেষের দিকে নারীবাদী ও ধর্মীয় সমালোচনামূলক রচনার কারণে আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করেন। তিনি তাঁর রচনা ও ভাষণের মাধ্যমে লিঙ্গসমতা, মুক্তচিন্তা, ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদ ও মানবাধিকারের প্রচার করায় ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠীদের রোষানলে পড়েন ও তাঁদের নিকট হতে হত্যার হুমকি পেতে থাকায় ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ ত্যাগ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাস করতে বাধ্য হন; বর্তমানে তিনি ভারতে বসবাস করছেন।
এদিকে, ভারতীয় কয়েকটি গণমাধ্যম দাবি করছে, বিতর্কিত এ লেখিকা আবারো নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তসলিমার বয়স ৫৪ পেরিয়ে গেলেও ২৬ বছরের এক ইহুদি যুবককে নাকি তিনি বিয়ে করেছেন। যদিও এ বিষয়ে তসলিমার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন সময়ে জোসেফ নামের ২৬ বছরের ওই তরুণের সঙ্গে পরিচয় তসলিমার।

এরপর ভারতে এসেও দেখা করে গেছেন জোসেফ।
উল্লেখ্য, ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দের ২৫শে আগস্ট পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ শহরে তসলিমা নাসরিনের জন্ম হয়। দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। তাঁর পিতা রজব আলী পেশায় চিকিৎসক ছিলেন। তসলিমার মাতার নাম ইদুল আরা। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে তিনি ময়মনসিংহ রেসিডেন্সিয়াল স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করেন। ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি আনন্দ মোহন কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাশ করেন। এরপর তিনি ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে এমবিবিএস পাশ করেন।[৪]

১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি সরকারী গ্রামীণ হাসপাতালে এবং ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ পর্য্যন্ত মিটফোর্ড হাসপাতালে স্ত্রীরোগ বিভাগে ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অ্যানেসথেসিওলজি বিভাগে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।