৪৩ গোল জালে, আর গোলরক্ষক জেলে!

বেশি গোল খাওয়ায় দল পরাজিত হয়। তিরস্কারের পাশাপাশি দলীয় শাস্তির বিধান থাকে।

এজন্য পুলিশ আটক করে নিয়ে যাবে এমনটা তো হওয়ার কথা না! কিন্তু তাই ঘটেছে জার্মানির নিচের লিগের একটি ক্লাবের গোলরক্ষকের ভাগ্যে।

একটা, দু’টা না, গুণে গুণে ৪৩টি গোল হজম করার ৫ দিন পর তাকে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। এ নিয়ে বিশ্ব ফুটবলেও শুরু হয়ে গেছে আলোচনা।

জানা গেছে, এসভি ভনডারোট ও পিএসভি ওবারহসেনের মধ্যে স্থানীয় লিগের খেলা চলছিল। ভনডারোটের পুরো টিমটাই তৈরি হয়েছে সিরিয়া, ইরাক, গিনি থেকে আসা উদ্বাস্তুদের নিয়ে।

সেই দলের গোলরক্ষক মার্কো প্রথমার্ধেই ৩৫ গোল হজম করেন। দ্বিতীয়ার্ধে আরও আট গোল করেছিল জয়ী দল।

একটা সময় আটজনে হয়ে যায় এসভি ভনডারোট। স্পোর্টসম্যান স্পিরিট দেখিয়ে পিএসভি ওবারহসেনও আটজনেই খেলতে শুরু করে।

এরপর সব স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। ৪৩ গোল হজম থেকে বেরিয়ে আসতে অনুশীলনে মন দিয়েছিল দল। এরপর কেটে গিয়েছে পাঁচ দিন।

হঠাৎই এসভি ভনডারোটের ট্রেনিং গ্রাউন্ডে এসে হাজির হয় স্থানীয় পুলিশ। আটক করে নিয়ে যায় ৪৩ গোল হজম করা দলের গোলরক্ষককে।

কিন্তু কেন তাকে আটক করা হয়েছে সেটা এখনও জানা যায়নি। ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না সেই গোলরক্ষককে।

পুলিশ তাকে ধরে রেখেছে কি না সেটাও বোঝা যাচ্ছে না। যদিও তারপর থেকে দেখা যায়নি তাকে।

শোনা যাচ্ছে, সঙ্গে সঙ্গে তাকে ছেড়েও দেয়া হয়েছিল। তবে পুলিশের তরফ থেকে এই ব্যাপারে কোনো মন্তব্য না করায় তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

মার্কোর ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারাও বিষয়টি নিয়ে অন্ধকারে রয়েছে।

ক্লাবের ডিরেক্টর ক্রিস্টিয়ানশোরের বলেন, ‘আমরা পুরো অন্ধকারে। পুলিশ আমাদের কিছু বলছে না, কি হয়েছে। আর আমরা আর্কোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না।’