এনক্রিপশন চালু করছে ফেসবুক, নিরাপদ হবে মেসেজিং।

[ad id=’1571′]
ফেসবুকের মেসেজিং ব্যবস্থাকে আরও নির্ভরযোগ্য করার জন্য এবার এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন মেসেজিং চালু করতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক।

সম্প্রতি এ লক্ষ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস। শুক্রবার এই এনক্রিপশন পদ্ধতি চালুর বিষয়টি জানা গেছে। ফেসবুক জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে তারা মেসেজিংয়ে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন পদ্ধতি চালু করেছে শুধুই পরীক্ষামূলকভাবে। পরীক্ষা সফল হলে পরবর্তীতে এ পদ্ধতি তারা সব মেসেজে ব্যবহার করতে পারে। জানা গেছে, ফেসবুকের মেসেজিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন বর্তমানে ৯০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী। ফেসবুকের আগেই হোয়াটসঅ্যাপে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন মেসেজিং চালু করা হয়। হোয়াটসঅ্যাপও অবশ্য ফেসবুকের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। তবে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহারকারী এক বিলিয়নেরও বেশি বলে জানা যায়। ২০১৪ সালের অক্টোবরে হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নেয় ফেসবুক। এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হলে মেসেজিংয়ের ক্ষেত্রে মাঝখানে কোনো তৃতীয় পক্ষ প্রবেশ করতে পারে না। এতে ব্যবহারকারীরা নিরাপদে তাদের বার্তা বিনিয়ম করতে পারেন। শুধু হোয়াটসঅ্যাপই নয় এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন পদ্ধতি ব্যবহর করে অ্যাপলের আইমেসেজসহ বিভিন্ন মেসেজিং আদান-প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এগুলোর মধ্যে রয়েছে লাইন, সিগনাল, ভাইবার, টেলিগ্রাম ও উইকার। ফেসবুক মেসেঞ্জারে যে পদ্ধতিতে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে, ঠিক সেই পদ্ধতি হোয়াটসঅ্যাপেও ব্যবহৃত হয় বলে জানা গেছে। এতে সিগনাল নামে একটি প্রটোকল ব্যবহৃত হয়। এ পদ্ধতি তৈরি করেছে ওপেন হুইসপার সিস্টেমস। ফেসবুক জানিয়েছে, নতুন মেসেজিং পদ্ধতিতে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকবে। যেমন ব্যবহারকারীরা নিরাপদে বার্তা আদানপ্রদান করতে চাইলে একটিমাত্র ডিভাইসেই তা লগইন করতে হবে।

একাধিক ডিভাইসের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি কাজ নাও করতে পারে। এছাড়া মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীরা এর মাধ্যমে ভিডিও পাঠাতে পারবেন না কিংবা ও অর্থ পরিশোধও করতে পারবেন না। এনক্রিপশন পদ্ধতি চালু হলে ফেসবুকের বার্তার নিরাপত্তা আগের চেয়ে অনেক বেড়ে যাবে এবং ব্যবহারকারীরাও মেসেঞ্জার ব্যবহারে আরও আগ্রহী হবে বলে মনে করছে ফেসবুক। তবে কবে নাগাদ এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন পদ্ধতি মেসেঞ্জারে পুরোপুরি চালু করা হবে, সে সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট করে জানায়নি ফেসবুক।