এলিয়েনরা পরমাণু যুদ্ধ থেকে পৃথিবী রক্ষা করেছে : অ্যাপোলো ১৪ নভোচারী

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’র অ্যাপোলো ১৪ মিশনের নভোচারী হিসেবে চাঁদে পদার্পণকারী ষষ্ঠ ব্যক্তি এডগার মিশেল। সম্প্রতি তিনি তার অভিজ্ঞতার আলোকে বলেন, পৃথিবীতে আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পরমাণু যুদ্ধের উপক্রম হলে তা এলিয়েনদের প্রচেষ্টাতেই বন্ধ হয়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
পৃথিবীতে মহাকাশ থেকে আসা এলিয়েনদের কার্যক্রম নিয়ে বহু কাহিনী রচিত হয়েছে। তৈরি হয়েছে বহু সিনেমাও। কিন্তু এসব সিনেমার মতোই রোমহর্ষক মতামত দিলেন অ্যাপোলো ১৫-এর নভোচারি এডগার মিশেল। তিনি সম্প্রতি মিরর অনলাইনকে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তার বিশ্বাস শান্তিপ্রিয় এলিয়েনদের হস্তক্ষেপেই পৃথিবী রক্ষা পেয়েছে। অন্যথায় আমেরিকা ও রাশিয়ার পরমাণু যুদ্ধেই পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যেত।
মিশেল জানিয়েছেন, বিষয়টি খুবই আশ্চর্যজনক মনে হলেও তিনি এ তথ্য সত্য বলেই বিশ্বাস করেন। বিভিন্ন সামরিক সূত্রের বরাতে তিনি এ বিষয়টির প্রমাণও পেয়েছেন বলে জানান।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন ঘাটির আশপাশ দিয়ে প্রচুর অদ্ভুত যান দেখা যেত। এসব ইউএফও থেকে মার্কিন বাহিনীর সামরিক ক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করত এলিয়েনরা। মিশেল জানান, নিউ মেক্সিকোতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ঘাঁটির আশপাশে আকাশে প্রচুর অদ্ভুত উড়ন্ত বস্তু দেখা যেত। এখানেই ১৯৪৫ সালে প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
মিশেল বলেন, ‘তারা আমাদের সামরিক ক্ষমতা জানতে চাইত।’
মিশেল আরো বলেন, ‘আমার নিজের অভিজ্ঞতায় এটা পরিষ্কার যে, ইটিরা আমাদের যুদ্ধ থেকে ফেরাতো এবং পৃথিবীতে শান্তি বজায় রাখতে চাইত।’
মিশেল বড় হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো রাজ্যের বিখ্যাত রসওয়েল ঘাঁটির পাশে। সেখানে ঠাণ্ডা যুদ্ধের সময় বহু মার্কিন বিমান বাহিনীর অফিসারের বর্ণনায় ইউএফও দেখার কথা জেনেছেন তিনি।