জাপানে যেভাবে ইসলামের বিপ্লব ঘটছে!

জাপানি এ বোনটি কয়েকবছর আগে মুসলমান হয়েছেন। তার নাম ‘এতসুকু হুশিনু’। ইরানের ‘পায়ামে নুর বিশ্ববিদ্যালয়’র একটি সম্মেলনে চমৎকার অনূভুতি প্রকাশ করেছেন –

তিনি বলেন, যারা মুসলমান হয়ে জন্মগ্রহণ করে তাদের এমন কিছু নেয়ামত আছে যা নও মুসলিমদের নেই আমার সব থেকে বড় আরজু ছিল আমার জন্মের সময় যদি আমার কানে আজান দেয়া হত।

সাম্প্রতিক ইসলাম বিরোধী প্রচারের পরও জাপানে মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে এবং তারা কুরআনের আলোকে ইসলামধর্মে দিক্ষিত হচ্ছে।
তারা সবাই নিজের ইচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করছেন। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন এতসুকু হুশিনু। যিনি ১৩ বছর আগে ইসলামধর্ম গ্রহণ করেন।

ইরানের পায়ামে নুর বিশ্ববিদ্যালয়ে নও মুসলিমদের ইসলাম গ্রহণের ঘটনা নিয়ে অন্ধকারে আলো শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে সবাই তাদের মুসলমান হওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেন। তার মধ্যে একজন ছিলেন খানোম এতসুকু হুশিনু (ফাতিমা)।

তিনি বলেন, ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর আমি ইসলাম নিয়ে গবেষনা শুরু করি। এরপর কুরআন ও ইঞ্জিল নিয়ে অধ্যায়ন করি এবং এই দুয়ের মধ্যে তুলনা করা শুরু করি। আস্তে আস্তে কুরআন আমার অন্তরে প্রবেশ করতে শুরু করে এবং সূরা ইয়াসিনের মাধ্যমে আমি ইসলামধর্ম গ্রহণ করি।

তিনি বলেন, আমি ১৩ বছল আগে ইসলামধর্ম গ্রহণ করলেও জাপানে ইসলামি পরিবেশ না থাকর কারণে আমি অনেক সমস্যার সম্মুখীন হই এমনকি একণ পর্যন্ত আমার পিতা-মাতা ইসলামধর্ম গ্রহণ করেনি। বরং তারা অপেক্ষায় আছে যে আমি আবার কবে বৌদ্ধধর্মে ফিরে যাব। কিন্তু তাতো আর কখনোই সম্ভব নয়। আমি সত্য পথ পেয়ে গেছি এবং সারা জীবন এই পথেই থাকব।

জাপান একটি দেশ যারা বৌদ্ধধর্ম ও শিন্তুসি ধর্মের জন্য প্রখ্যাত। আর এই দেশের মানুষ তাদের ধার্মীক মনে করে না এবং এদশে একেশ্বরবাদী ধর্মের অনুসারী নেই বললেই চলে।

সূত্র: ইকনা