দৈনিক মাত্র ৪ কাপ চায়ে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে !

দৈনিক চার কাপ বা তার অধিক পরিমাণে চা খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ২০ শতাংশ হ্রাস পায়। ইউরোপের আটটি দেশে গবেষণা করে জার্মানির গবেষকরা বুধবার এই দাবি করেন। গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে, ডায়াটেরি ফ্যাক্টর হওয়ায় অধিক পরিমাণে চা পান টাইপ টু (মধ্যবয়সী লোকদের ডায়াবেটিস) ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থেকে লোকদের রক্ষা করে। চা মানবদেহে গ্লুকোজের পরিপাক ঘটাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। বেটাকোষ নষ্ট হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। এসব ফলাফল পাওয়ার কারণ হলো চায়ে পোলিফেনল নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে।
গবেষণাটি সম্পাদন করেন জার্মানির হেইনরিচ হেইন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়াবেটিস গবেষণা কেন্দ্র। গবেষণা দলের নেতৃত্ব দেন ক্রিস্টিয়ান হার্ডার। ইউরোপের আটটি দেশে ২৬টি কেন্দ্রে গবেষণাটি করা হয়। এতে অংশ নেয়াদের মধ্যে এক লাখ ২৪ হাজার তিনজন ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তি ও এক হাজার ডায়াবেটিসহীন ব্যক্তি। গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে, চার কাপের চায়ে কম চা পানে ডায়াবেটিস রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

পানির চাহিদা পূরণ করতে পারে চা দৈনিক ছয় মগ চা আপনার দেহে এক লিটার পানির চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। বৃটিশ জার্নাল অব নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের নতুন গবেষণায় জানা যায় এসব তথ্য।
ক্যাফেইনের কারণে দেহে পানিশূন্যতা সৃষ্টিজনিত পুরানো ধারণা বাতিল হয়ে গেল এর মাধ্যমে। ছয় মগ চা পানে দেহে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কোনো নমুনাও খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা। বৃটেনের ওই গবেষণায় ২১ জন স্বেচ্ছাসেবী ১২ ঘণ্টা সময়ের ভেতর চার মগ চা পান করেন।
প্রতিটি মগের ধারণক্ষমতা ২৪০ মিলিলিটার। অর্থাৎ সব মিলিয়ে এক লিটার চা। সামান্য দুধ মেশানো হলেও এতে কোনো চিনি দেয়া হয়নি। পরবর্তী সময়ে তাদের পান করতে দেয়া হয় ছয় মগের সমপরিমাণ দেড় লিটার পানি।
দেহে পানির উপস্থিতির মাত্রা পরীক্ষার জন্য দুই প্রকার তরল পানের আগে এবং মধ্যবর্তী সময়ে সংগ্রহ করা হয় রক্তের নমুনা। গবেষণাগারে এসব নমুনা পরীক্ষা করে দেহে পানির মাত্রায় কোনো তারতম্য খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা।
শীর্ষ পুষ্টি উপদেষ্টা ক্যারি রাক্সটন এ বিষয়ে জানান, দেহে পানির মাত্রার ভারসাম্য রাখতে চায়ের জুড়ি নেই। পাশাপাশি চায়ে রয়েছে পর্যাপ্ত ফ্লাভোনয়েড, যা আমাদের দেহে হূদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস করে। -ডেইলি মেইল