বাংলাদেশ সরকারের নতুন পে-স্কেল অনুমোদন

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন স্কেলে সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা (নির্ধারিত) আর সর্বনিম্ন মূল বেতন হবে ৮ হাজার ২৫০ টাকা। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে এ নতুন স্কেল কার্যকর হবে। এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকরাও এর অন্তর্ভুক্ত হবেন।
গতকাল সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন এ বেতন স্কেল অনুমোদন করা হয়। এর আগে ২০০৯ সালে সর্বশেষ বেতন স্কেল দেওয়া হয়েছিল। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, নতুন পে- স্কেলে ২০০৯ সালের স্কেলের মতোই ২০টি গ্রেড থাকবে। নতুন বেতন স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাদ দেয়া হয়েছে। সচিব বলেন, বেতন সবার জন্য বাড়ছে। কাজেই কিছু পদ বা প্রতিষ্ঠানের জন্য সুবিধা দেওয়ার চেয়ে সবার সুবিধা দেয়াই যৌক্তিক। তবে তাদের মূল বেতনের ওপর বার্ষিক প্রবৃদ্ধি নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে।
pay scale meeting
সচিব বলেন, ২০ থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হবে মূল বেতনের ৫ শতাংশ। পঞ্চম গ্রেডে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হবে সাড়ে ৪ শতাংশ। তিন ও চার নম্বর গ্রেডে প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ। গ্রেড দুই-এর বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। আর এক নম্বর গ্রেডে কোনো প্রবৃদ্ধি হবে না।মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা বলেন, মূল বেতনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়বে। কারও মূল বেতন ১০ হাজার টাকা হলে এক বছরে তার ৫ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হবে ৫০০ টাকা। প্রথম বছর শেষে ওই ব্যক্তির প্রবৃদ্ধিসহ বেতন দাঁড়াবে ১০,৫০০ টাকা। যেহেতু চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়বে, তাই দ্বিতীয় বছরে ওই ১০,৫০০ টাকার ওপর বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হবে। এভাবে প্রত্যেক বছরই বার্ষিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। প্রতি বছরের ১ জুলাই সবার জন্য একই সঙ্গে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হবে।সচিব বলেন, পর্যালোচনায় দেখা গেছে আগে টাইম স্কেলে অনুযায়ী যে বেতন বাড়ত, নতুন পদ্ধতিতে তার চেয়ে বেশি বেতন বাড়বে।বাড়বে বেতন, বাড়বে ব্যয়মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রথম বছর নতুন স্কেলে শুধু মূল বেতন পাবেন। এই বর্ধিত বেতনের অর্থ সংস্থান করতে চলতি বছরে সরকারকে ১৫ হাজার ৯০৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে। তবে, আগামী বছর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নতুন স্কেলে বেতন ও ভাতা পাবেন। এ জন্য সরকারকে ২৩ হাজার ৮২৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা অতিরিক্ত খরচ করতে হবে।
pay scale final
সরকারি চাকুরেদের নববর্ষ ভাতাসরকারি কর্মচারীদের জন্য অষ্টম বেতন কাঠামো অনুমোদনের পাশাপাশি নববর্ষে বাড়তি একটি ভাতা ঘোষণা করেছে সরকার। প্রতি বছর বৈশাখ উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই ভাতা পাবেন। এর পরিমাণ হবে তাদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ। সচিব আরও বলেন, বাড়ি ভাড়া ছাড়া অন্যান্য বিশেষ ভাতা নির্ধারিত থাকবে।মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভুইঞা সাংবাদিকদের বলেন, বাংলা নববর্ষের ভাতা যোগ হয়েছে। ধর্মভিত্তিক উৎসব ভাতা আছে, কিন্তু সব ধর্মের মানুষ একই সময় একই ভাতা পাচ্ছে এটা ছিল না। এতদিন মূল বেতনের সমান হারে বছরে কেবল দুটি উৎসব ভাতা দেয়া হত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। মুসলমানরা দুই ঈদে, হিন্দুরা পূজায় এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা তাদের ধর্মীয় উৎসবে ওই ভাতা পান।নতুন বেতন স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরানতুন এ বেতন স্কেলে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকেরা অন্তর্ভুক্ত হবেন। তারা গত ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল অনুমোদনস্কেলে বেতন ভাতা পাবেন। তবে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিষয়টি পর্যালোচনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অর্থ বিভাগ শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে।থাকছে না কোনো শ্রেণীমন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এতদিন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীতে ভাগ করা হতো। নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী, কোনো শ্রেণী থাকবে না। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ গ্রেড দিয়েই পরিচিত হবেন।বাড়ল অবসর সুবিধানতুন বেতন স্কেলে অবসর সুবিধা বাড়বে। ২০০৯ সালের পে-স্কেলে সরকারি চাকুরেরা অবসরের সময় মূল বেতনের ৮০ ভাগ পেনশন ভাতা পেতেন। নতুন স্কেলে মূল বেতনের ৯০ শতাংশ অবসর সুবিধা পাবেন।
payscale details
তিন বাহিনী প্রধানের একই বেতননতুন পে-স্কেলে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী প্রধানেরা একই স্কেলে বেতন ভাতা পাবেন। এর আগে সেনাপ্রধানের পদমর্যাদা অন্য দুই বাহিনীর প্রধানের চেয়ে বেশি ছিল। সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনী প্রধানের বেতন ও পদমর্যাদা একই রকম করার নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশ মোতাবেক তাদের বেতন ও পদমর্যাদা একই। নতুন পে-স্কেলে তিন বাহিনীর প্রধান (সেনা, নৌ ও বিমান) সমান বেতন পাবেন (৮৬ হাজার টাকা, নির্ধারিত)। এ ছাড়া সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেলরা বেতন পাবেন ৮২ হাজার টাকা (নির্ধারিত)। সশস্ত্র বাহিনীতে সর্বশেষ পদ হলো সৈনিক। কিন্তু তারা সর্বনিম্ন গ্রেডে বেতন পাবেন না। যারা সৈনিক নন এবং সামরিক দায়িত্বে সংশ্লিষ্ট নন, তারা সর্বনিম্ন গ্রেডে বেতন পাবেন।
নতুন কাঠামো নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অসন্তোষের প্রসঙ্গে টেনে মোশাররাফ জানান, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বেতন পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য ‘বেতনবৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভা কমিটি তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিষয়ে মন্ত্রিসভা গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছে। তাদের অবস্থান নিয়ে সরকার সচেতন। তারা নতুন স্কেলে বেতন পাবেন। তার আগ পর্যন্ত তারা ‘করেসপন্ডিং স্কেলে’ বেতন পাবে।
নতুন বেতন কাঠামোতে বিশেষ ধাপে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিবদের মূল বেতন ৮৬ হাজার টাকা। পর্যালোচনা কমিটি বিশেষ ধাপ হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিবদের মূল বেতন ৯০ হাজার টাকা এবং বেতন কমিশন ১ লাখ টাকা করার সুপারিশ করেছিল। বর্তমানে এ বেতন ৪৫ হাজার টাকা। সিনিয়র সচিবদের মূল বেতন করা হয়েছে ৮২ হাজার টাকা। পর্যালোচনা কমিটি সিনিয়র সচিবদের মূল বেতন ৮৪ হাজার টাকা ও বেতন কমিশন ৯০ হাজার টাকা সুপারিশ করেছিল। বর্তমানে সিনিয়র সচিবেরা নির্ধারিত ৪২ হাজার টাকা মূল বেতন পান। সরকারি চাকরির সর্বোচ্চ ধাপ হিসেবে বিবেচিত সচিবের মূল বেতন (গ্রেড-১) নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৮ হাজার টাকা।
পর্যালোচনা কমিটি সচিবের মূল বেতন ৭৫ হাজার টাকা ও কমিশন ৮০ হাজার টাকা সুপারিশ করেছিল। সপ্তম বেতন কাঠামোতে এখন এই কর্মকর্তারা ৪০ হাজার টাকা পেতেন।প্রথম শ্রেণীর সরকারি চাকরির শুরুতে মূল বেতন হয়েছে ২২ হাজার টাকা (নবম ধাপ)। পর্যালোচনা কমিটিও এ ক্ষেত্রে মূল বেতন ২২ হাজার টাকা ও বেতন কমিশন ২৫ হাজার টাকা সুপারিশ করেছিল। প্রথম শ্রেণীর চাকরির শুরুতে কর্মকর্তারা আগে ১১ হাজার টাকা পেতেন।
সর্বনিম্ন স্তরের (গ্রেড-২০) মূল বেতন হয়েছে ৮ হাজার ২৫০ টাকা। এ ক্ষেত্রে পর্যালোচনা কমিটিও ৮ হাজার ২৫০ টাকা সুপারিশ করেছিল। তবে বেতন কমিশন সুপারিশ করেছিল ৮ হাজার ২০০ টাকা।নতুন বেতন কাঠামোর ২০টি গ্রেডের দ্বিতীয় গ্রেডে ৩৩ হাজার ৫০০ টাকার পরিবর্তে ৬৬ হাজার টাকা, তৃতীয় গ্রেডে ২৯ হাজার টাকার স্থলে ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা এবং চতুর্থ গ্রেডে ২৫ হাজার ৭৫০ টাকার পরিবর্তে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। পঞ্চম গ্রেডে ২২ হাজার ২৫০ টাকার স্থলে ৪৩ হাজার টাকা, ষষ্ঠ গ্রেডে ১৮ হাজার ৫০০ টাকার পরিবর্তে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা, সপ্তম গ্রেডে ১৫ হাজার টাকার জায়গায় ২৯ হাজার টাকা, অষ্টম গ্রেডে ১২ হাজার স্থানে হয়েছে ২৩ হাজার টাকা করা হয়েছে। দশম গ্রেডে আট হাজারের পরিবর্তে ১৬ হাজার টাকা, ১১তম গ্রেডে ৬ হাজার ৪০০ টাকার পরিবর্তে ১২ হাজার ৫০০ টাকা, ১২তম গ্রেডে ৫ হাজার ৯০০ টাকার পরিবর্তে ১১ হাজার ৩০০ টাকা, ১৩তম গ্রেডে ৫ হাজার ৫০০ টাকার পরিবর্তে ১১ হাজার টাকা, ১৪তম গ্রেডে ৫ হাজার ২০০ টাকার পরিবর্তে ১০ হাজার ২০০ টাকা করা হয়েছে। নতুন কাঠামোতে ১৫, ১৬ ও ১৭তম গ্রেডে মূল বেতন হয়েছে নয় হাজার ৭০০, নয় হাজার ৩০০ ও ৯ হাজার টাকা। আগের স্কেলে এ বেতন ছিল ৪ হাজার ৯০০, ৪ হাজার ৭০০ ও ৪ হাজার ৫০০ টাকা। আগে ১৮তম গ্রেডের মূল বেতন ৪ হাজার ৪০০ ও ১৯তম গ্রেডের মূল বেতন ৪ হাজার ২৫০ টাকা ছিল, নতুন বেতন কাঠামোতে তা বেড়ে হয়েছে ৮ হাজার ৮০০ ও আট হাজার ৫০০ টাকা। ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর দেশের ১৩ লাখ সরকারি চাকরিজীবীর জন্য ১৭ সদস্যের ‘জাতীয় বেতন ও চাকরি কমিশন-২০১৩’ গঠন করে অর্থ মন্ত্রণালয়। ওই বছরের ১৭ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া এ কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। কমিশনকে ৬ মাসের (২০১৪ সালের ১৭ জুন) মধ্যে সুপারিশসংবলিত একটি প্রতিবেদন তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়। পরে কমিশনের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানো হয়। গত বছরের ২১ ডিসেম্বর সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের কাছে প্রতিবেদন তুলে দেন জাতীয় বেতন ও চাকরি কমিশনের চেয়ারম্যান।
বেতন ও চাকরি কমিশন বর্তমান ২০টির পরিবর্তে ১৬টি ধাপে বেতন দেয়ার সুপারিশ করেছিল। কমিশনের সুপারিশ ছিল সর্বোচ্চ ধাপে ৮০ হাজার টাকা ও সর্বনিম্ন ধাপে ৮ হাজার ২০০ টাকা। পরে ৩১ ডিসেম্বর বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নির্ধারণে প্রতিবেদন পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে সরকার। কমিটিকে ৬ সপ্তাহ সময় দেয়া হয়েছিল। কমিটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সময় দুই দফা বাড়ানো হয়। অপরদিকে, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য ‘সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি’ গত ১ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো তুলে দেয়। এতে সর্বোচ্চ পদে থাকা একজন চার তারকা জেনারেল মূল বেতন হিসেবে মাসে ১ লাখ এবং সর্বনিম্ন গ্রেডে বেসামরিক দায়িত্বে থাকা একজন অফিস সহকারী ৮ হাজার ২০০ টাকা সুপারিশ করা হয়। পর্যালোচনা কমিটি এ বেতন কাঠামোও বিবেচনায় নেয়। গত ১৩ মে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন ভূইঞার নেতৃত্বাধীন বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা কমিটি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর এ কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অর্থ মন্ত্রণালয়। তারা প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য তা উপস্থাপন করে।

২০ গ্রেড নতুন কাঠামোতে প্রতিটি গ্রেডের শুরুর বেতন হবে এ রকম ঃ

গ্রেড সপ্তম বেতন স্কেল অষ্টম বেতন স্কেল বেতন বৃদ্ধি (টাকা) (টাকা) (টাকা ও শতকরা)
মন্ত্রিপরিষদ সচিব/ ৪৫,০০০ ৮৬,০০০ ৪১,০০০ (৯১.১১%)
মুখ্য সচিবজ্যেষ্ঠ সচিব ৪২,০০০ ৮২,০০০ ৪০,০০০ (৯৫.২৩%)
গ্রেড-১ ৪০,০০০ ৭৮,০০০ ৩৮,০০০ (৯৫%)
গ্রেড-২ ৩৩,৫০০ ৬৬,০০০ ৩২,৫০০ (৯৭.০১%)
গ্রেড-৩ ২৯,০০০ ৫৬,৫০০ ২৭,৫০০ (৯৪.৮২%)
গ্রেড-৪ ২৫,৭৫০ ৫০,০০০ ২৪,২৫০ (৯৪.১৭%)
গ্রেড-৫ ২২,২৫০ ৪৩,০০০ ২০,৭৫০ (৯৩.২৫%)
গ্রেড-৬ ১৮,৫০০ ৩৫,৫০০ ১৭,০০০ (৯১.৮৯%)
গ্রেড-৭ ১৫,০০০ ২৯,০০০ ১৪,০০০ (৯৩.৩৩%)
গ্রেড-৮ ১২,০০০ ২৩,০০০ ১১,০০০ (৯১.৬৬%)
গ্রেড-৯ ১১,০০০ ২২,০০০ ১১,০০০ (১০০%)
গ্রেড-১০ ৮,০০০ ১৬,০০০ ৮,০০০ (১০০%)
গ্রেড-১১ ৬,৪০০ ১২,৫০০ ৬,১০০ (৯৫.৩১%)
গ্রেড-১২ ৫,৯০০ ১১,৩০০ ৫,৪০০ (৯১.৫২%)
গ্রেড-১৩ ৫,৫০০ ১১,০০০ ৫,৫০০ (১০০%)
গ্রেড-১৪ ৫,২০০ ১০,২০০ ৫,০০০ (৯৬.১৫%)
গ্রেড-১৫ ৪,৯০০ ৯,৭০০ ৪,৮০০ (৯৭.৯৫%)
গ্রেড-১৬ ৪,৭০০ ৯,৩০০ ৪,৬০০ (৯৭.৮৭%)
গ্রেড-১৭ ৪,৫০০ ৯,০০০ ৪,৫০০ (১০০%)
গ্রেড-১৮ ৪,৪০০ ৮,৮০০ ৪,৪০০ (১০০%)
গ্রেড-১৯ ৪,২৫০ ৮,৫০০ ৪,২৫০ (১০০%)
গ্রেড-২০ ৪,১০০ ৮,২৫০ ৪,১৫০ (১০১.২১%)

উৎসঃ Daily Inqilab