রহস্য ক্রমশ প্রকাশ্যে, অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন বিল গেটস, তৃতীয় ব্য়ক্তিকে মানতে পারেননি মেলিন্ডা

 ধনকুবের দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদের খবর সামনে এসেছে ক’দিন আগেই। সম্পর্কে ইতি টানার ঘোষণা প্রকাশ্যে এনেছিলেন গেটস ফাউন্ডেশনের ২ কর্তা বিল গেটস  ও মেলিন্ডা গেটস। তবে এই সম্পর্কের বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে সামনে এসেছে তৃতীয় এক পুরুষের নাম। এই তৃতীয় ব্যক্তিকেই মেনে নিতে পারেন নি মেলিন্ডা গেটস। আমেরিকার ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের  রিপোর্টে বলা হয়েছে, বহুদিন ধরে আমেরিকার আরেক ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগে ছিলেন বিল গেটস । এই জেফরি এপস্টেইনের বিরুদ্ধে শিশু, কিশোর পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এমনকী তার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, ঘটনার সুত্রপাত হয় ২০১৩ সালে। সেই সময় থেকেই বিল ও জেফরির যোগাযোগের বিষয়টি জানতেন মেলিন্ডা। এই সম্পর্ক নিয়ে মেলিন্ডা উদ্বেগে ছিলেন। বিবাহ বিচ্ছেদের কথা অনেকদিন আগে থেকেই ভাবছিলেন। ২০১৯ সালের পর থেকে সেই ভাবনা সিদ্ধান্তের রূপ নিতে শুরু করে এবং তিনি আইনজীবীদের থেকে পরামর্শ নিতে শুরু করেন।

এর আগে বিভিন্ন জার্নালও দাবি করেছে জেফরি এপস্টেইন ও বিল গেটস একটি সম্পর্কের মধ্যে ছিলেন। তবে মাইক্রোসফট -এর মুখপাত্র দাবি করেছেন যেমনটা মনে করা হচ্ছে সম্পর্কটা ঠিক তেমন নয়। জেফরির সঙ্গে বিলের যোগাযোগ কেবল আর্থিক কারণেই ছিল। একাধিক নাবালিকার যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত ছিলেন মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইন । তার বিরুদ্ধে বহু মহিলা হেনস্থার অভিযোগ করে। শেষ জীবনে জেলে বন্দি ছিলেন জেফরি। ২০১৯ সালে ৬৬ বছর বয়সে জেলেই তার মৃত্যু হয়।

৪ মে, একটি যৌথ বিবৃতিতে গেটস দম্পতি লেখেন, ‘আমরা দম্পতি হিসেবে আমাদের সম্পর্কও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব, এই বিশ্বাস আর নেই’। এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তাঁদের ব্যক্তিগত পরিসরকে মর্যাদা দেওয়ার আবেদন করেছেন বিল এবং মেলিন্ডা দু’জনেই। তাঁরা আরও জানান “আমরা আমাদের ৩ সন্তানকে ভালভাবে বড় করেছি। আমরা একটা ফাউন্ডেশনও বানিয়েছি। এর মাধ্যমে অনেক মানুষের উপকার হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। আমাদের আরও লক্ষ্য রয়েছ।সেগুলো পূরণের জন্য একসঙ্গে কাজ করবো”।